DESCRIPTION
✅ বৈশিষ্ট্য (Boishistho)
-
তাল বেগুন আকারে ছোট, গোল ও সাধারণত সবুজ-সাদা দাগযুক্ত হয়ে থাকে।
-
খোসা পাতলা, ভেতরে নরম বীজযুক্ত শাঁস থাকে।
-
গাছ খাটো, ঝোপাল এবং দ্রুত ফল ধরে।
-
রান্না, ভর্তা, ভাজি, তরকারি ও থাই-স্টাইলে বিশেষভাবে ব্যবহৃত হয়।
-
চাষে খুব বেশি ঝামেলা নেই—ঘরে টবেও সহজে জন্মে।
🌿 উপকারিতা (Upokarita)
-
ক্যালোরি কম—ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক।
-
ভিটামিন C, K, পটাশিয়াম, ফাইবার সমৃদ্ধ।
-
কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে।
-
অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকায় শরীরের প্রদাহ কমাতে সহায়ক।
-
হজম শক্তি বাড়ায় ও গ্যাস কমাতে সহায়তা করে।
🌱 চাষ পদ্ধতি (Chas Paddhoti)
-
উর্বর দোআঁশ মাটিতে চাষ সবচেয়ে ভালো।
-
রোদযুক্ত জায়গা প্রয়োজন—প্রতিদিন কমপক্ষে ৬ ঘণ্টা রোদ।
-
বীজ বপনের ৩০–35 দিনের মধ্যে চারা রোপণ করা যায়।
-
৬০–৭০ দিনের মধ্যে ফল আসা শুরু হয়।
-
নিয়মিত সেচ, সার ও পোকামাকড় নিয়ন্ত্রণ জরুরি।
তাল বেগুন-(Round Eggplant),আনুমানিক ৩০০ বীজ
Original price was: 229.00৳ .129.00৳ Current price is: 129.00৳ .
তাল বেগুন খেতে হালকা তিতকুটে, নরম ও রসালো। রান্না হলে তিতাভাব কমে গিয়ে নরম ও সুস্বাদু স্বাদ পাওয়া যায়। থাই রান্নায় এটি বিশেষভাবে জনপ্রিয় এর ক্রাঞ্চি স্বাদের জন্য।
তাল বেগুন-(Round Eggplant),আনুমানিক ৩০০ বীজ
Original price was: 229.00৳ .129.00৳ Current price is: 129.00৳ .
তাল বেগুন খেতে হালকা তিতকুটে, নরম ও রসালো। রান্না হলে তিতাভাব কমে গিয়ে নরম ও সুস্বাদু স্বাদ পাওয়া যায়। থাই রান্নায় এটি বিশেষভাবে জনপ্রিয় এর ক্রাঞ্চি স্বাদের জন্য।
DESCRIPTION
✅ বৈশিষ্ট্য (Boishistho)
-
তাল বেগুন আকারে ছোট, গোল ও সাধারণত সবুজ-সাদা দাগযুক্ত হয়ে থাকে।
-
খোসা পাতলা, ভেতরে নরম বীজযুক্ত শাঁস থাকে।
-
গাছ খাটো, ঝোপাল এবং দ্রুত ফল ধরে।
-
রান্না, ভর্তা, ভাজি, তরকারি ও থাই-স্টাইলে বিশেষভাবে ব্যবহৃত হয়।
-
চাষে খুব বেশি ঝামেলা নেই—ঘরে টবেও সহজে জন্মে।
🌿 উপকারিতা (Upokarita)
-
ক্যালোরি কম—ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক।
-
ভিটামিন C, K, পটাশিয়াম, ফাইবার সমৃদ্ধ।
-
কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে।
-
অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকায় শরীরের প্রদাহ কমাতে সহায়ক।
-
হজম শক্তি বাড়ায় ও গ্যাস কমাতে সহায়তা করে।
🌱 চাষ পদ্ধতি (Chas Paddhoti)
-
উর্বর দোআঁশ মাটিতে চাষ সবচেয়ে ভালো।
-
রোদযুক্ত জায়গা প্রয়োজন—প্রতিদিন কমপক্ষে ৬ ঘণ্টা রোদ।
-
বীজ বপনের ৩০–35 দিনের মধ্যে চারা রোপণ করা যায়।
-
৬০–৭০ দিনের মধ্যে ফল আসা শুরু হয়।
-
নিয়মিত সেচ, সার ও পোকামাকড় নিয়ন্ত্রণ জরুরি।





