DESCRIPTION
১. বৈশিষ্ট্য
-
পাতা: এর পাতাগুলো বেশ বড়, পুরু এবং কিনারাগুলো খুব কোঁকড়ানো (Curly) হয়।
-
রঙ: এটি সাধারণত গাঢ় সবুজ রঙের হয়।
-
বৃদ্ধি: এটি সাধারণ বাঁধাকপির মতো গোল হয়ে জমাট বাঁধে না, বরং একটি কাণ্ড থেকে চারদিকে পাতা ছড়াতে থাকে।
-
সহনশীলতা: এটি খুব শক্তপোক্ত গাছ এবং প্রচণ্ড ঠান্ডাতেও বেঁচে থাকতে পারে। এমনকি তুষারপাতের পর এর স্বাদ আরও মিষ্টি হয়।
২. উপকারিতা
কেল-কে পুষ্টির ‘পাওয়ারহাউস’ বলা হয় কারণ:
-
ভিটামিন সমৃদ্ধ: এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন A, K, এবং C থাকে।
-
ক্যালসিয়াম ও আয়রন: হাড় মজবুত করতে এবং রক্তস্বল্পতা দূর করতে এটি মাংসের চেয়েও বেশি কার্যকর হতে পারে।
-
ডিটক্স: এটি শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ বের করে লিভার সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।
-
ওজন নিয়ন্ত্রণ: এতে ক্যালরি খুব কম কিন্তু ফাইবার অনেক বেশি, যা ডায়েটের জন্য সেরা।
৩. রান্নায় ব্যবহার
-
সালাদ: কাঁচা কেল পাতা কুচি করে সালাদে খাওয়া যায় (তবে খাওয়ার আগে সামান্য লেবুর রস বা তেল দিয়ে মাখিয়ে নিলে পাতা নরম হয়)।
-
স্মুদি: স্বাস্থ্য সচেতনরা এটি ফল বা সবজির জুসের সাথে মিশিয়ে খান।
-
কেল চিপস: ওভেনে সামান্য তেল ও লবণ দিয়ে বেক করে এর মচমচে চিপস তৈরি করা যায়।
-
ভাজি: আমাদের দেশের পালং শাকের মতো এটি ভাজি করেও খাওয়া যায়।
৪. চাষ পদ্ধতি
-
সময়: এটি মূলত শীতকালীন সবজি। সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বর বীজ বপনের উপযুক্ত সময়।
-
চাষ: টবে বা জমিতে সহজেই চাষ করা যায়। একটি গাছ থেকে আপনি অনেকদিন ধরে পাতা ছিঁড়ে খেতে পারবেন, কারণ পাতা ছিঁড়লে নিচ থেকে আবার নতুন পাতা গজায়।
কেল-(Kale),আনুমানিক ২০০ বীজ
Original price was: 300.00৳ .149.00৳ Current price is: 149.00৳ .
DESCRIPTION
১. বৈশিষ্ট্য
-
পাতা: এর পাতাগুলো বেশ বড়, পুরু এবং কিনারাগুলো খুব কোঁকড়ানো (Curly) হয়।
-
রঙ: এটি সাধারণত গাঢ় সবুজ রঙের হয়।
-
বৃদ্ধি: এটি সাধারণ বাঁধাকপির মতো গোল হয়ে জমাট বাঁধে না, বরং একটি কাণ্ড থেকে চারদিকে পাতা ছড়াতে থাকে।
-
সহনশীলতা: এটি খুব শক্তপোক্ত গাছ এবং প্রচণ্ড ঠান্ডাতেও বেঁচে থাকতে পারে। এমনকি তুষারপাতের পর এর স্বাদ আরও মিষ্টি হয়।
২. উপকারিতা
কেল-কে পুষ্টির ‘পাওয়ারহাউস’ বলা হয় কারণ:
-
ভিটামিন সমৃদ্ধ: এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন A, K, এবং C থাকে।
-
ক্যালসিয়াম ও আয়রন: হাড় মজবুত করতে এবং রক্তস্বল্পতা দূর করতে এটি মাংসের চেয়েও বেশি কার্যকর হতে পারে।
-
ডিটক্স: এটি শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ বের করে লিভার সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।
-
ওজন নিয়ন্ত্রণ: এতে ক্যালরি খুব কম কিন্তু ফাইবার অনেক বেশি, যা ডায়েটের জন্য সেরা।
৩. রান্নায় ব্যবহার
-
সালাদ: কাঁচা কেল পাতা কুচি করে সালাদে খাওয়া যায় (তবে খাওয়ার আগে সামান্য লেবুর রস বা তেল দিয়ে মাখিয়ে নিলে পাতা নরম হয়)।
-
স্মুদি: স্বাস্থ্য সচেতনরা এটি ফল বা সবজির জুসের সাথে মিশিয়ে খান।
-
কেল চিপস: ওভেনে সামান্য তেল ও লবণ দিয়ে বেক করে এর মচমচে চিপস তৈরি করা যায়।
-
ভাজি: আমাদের দেশের পালং শাকের মতো এটি ভাজি করেও খাওয়া যায়।
৪. চাষ পদ্ধতি
-
সময়: এটি মূলত শীতকালীন সবজি। সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বর বীজ বপনের উপযুক্ত সময়।
-
চাষ: টবে বা জমিতে সহজেই চাষ করা যায়। একটি গাছ থেকে আপনি অনেকদিন ধরে পাতা ছিঁড়ে খেতে পারবেন, কারণ পাতা ছিঁড়লে নিচ থেকে আবার নতুন পাতা গজায়।




