DESCRIPTION
🌿 পেঁপে HY RANJANA এর উপকারিতা
-
🧡 হজমে সহায়ক, গ্যাস্ট্রিক ও কোষ্ঠকাঠিন্য কমায়
-
🛡️ ভিটামিন A, C সমৃদ্ধ—রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়
-
❤️ হৃদযন্ত্রের জন্য উপকারী
-
✨ ত্বক উজ্জ্বল রাখে
-
🩺 ডায়াবেটিস রোগীর জন্যও তুলনামূলক নিরাপদ ফল
⭐ পেঁপে HY RANJANA এর বৈশিষ্ট্য
-
🔹 উচ্চ ফলনশীল হাইব্রিড জাত
-
🔹 ফল লম্বাটে, আকর্ষণীয় সবুজ রঙ
-
🔹 শাঁস গাঢ় কমলা, মিষ্টি ও রসালো
-
🔹 বীজ কম, বাজারে চাহিদা বেশি
-
🔹 গাছ মাঝারি উচ্চতার, দ্রুত ফল দেয়
-
🔹 রোগ সহনশীলতা ভালো
🌱 পেঁপে HY RANJANA চাষ পদ্ধতি
🔹 জমি নির্বাচন
-
উঁচু, পানি জমে না এমন দো-আঁশ বা বেলে দো-আঁশ জমি
-
pH মান ৬.০–৬.৫ হলে ভালো
🔹 বীজ বপন
-
প্রথমে পলিব্যাগ বা বীজতলায় চারা তৈরি
-
১৫–২০ দিনের চারা রোপণের উপযুক্ত
🔹 রোপণ দূরত্ব
-
সারি থেকে সারি: ৬–৭ ফুট
-
গাছ থেকে গাছ: ৬ ফুট
🔹 সার ব্যবস্থাপনা (প্রতি গাছ)
-
গোবর: ১০–১৫ কেজি
-
ইউরিয়া, টিএসপি, এমওপি সুষমভাবে ভাগ করে প্রয়োগ
-
প্রতি ৩০–৪০ দিন পরপর সার দেওয়া ভালো
🔹 সেচ ও পরিচর্যা
-
নিয়মিত হালকা সেচ
-
আগাছা পরিষ্কার রাখতে হবে
-
অতিরিক্ত পানি জমতে দেওয়া যাবে না
🔹 রোগ ও পোকা দমন
-
পচা ফল/পাতা সরিয়ে ফেলুন
-
প্রয়োজন অনুযায়ী অনুমোদিত কীটনাশক ব্যবহার
🔹 ফল সংগ্রহ
-
রোপণের ৬–৭ মাসের মধ্যে ফল পাওয়া যায়
-
আধা-পাকা অবস্থায় সংগ্রহ করলে বাজারজাত ভালো হয়
ইন্ডিয়ান পেঁপে-(হাই রঞ্জনা), আনুমানিক ১০ গ্রাম বীজ
Original price was: 399.00৳ .130.00৳ Current price is: 130.00৳ .
DESCRIPTION
🌿 পেঁপে HY RANJANA এর উপকারিতা
-
🧡 হজমে সহায়ক, গ্যাস্ট্রিক ও কোষ্ঠকাঠিন্য কমায়
-
🛡️ ভিটামিন A, C সমৃদ্ধ—রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়
-
❤️ হৃদযন্ত্রের জন্য উপকারী
-
✨ ত্বক উজ্জ্বল রাখে
-
🩺 ডায়াবেটিস রোগীর জন্যও তুলনামূলক নিরাপদ ফল
⭐ পেঁপে HY RANJANA এর বৈশিষ্ট্য
-
🔹 উচ্চ ফলনশীল হাইব্রিড জাত
-
🔹 ফল লম্বাটে, আকর্ষণীয় সবুজ রঙ
-
🔹 শাঁস গাঢ় কমলা, মিষ্টি ও রসালো
-
🔹 বীজ কম, বাজারে চাহিদা বেশি
-
🔹 গাছ মাঝারি উচ্চতার, দ্রুত ফল দেয়
-
🔹 রোগ সহনশীলতা ভালো
🌱 পেঁপে HY RANJANA চাষ পদ্ধতি
🔹 জমি নির্বাচন
-
উঁচু, পানি জমে না এমন দো-আঁশ বা বেলে দো-আঁশ জমি
-
pH মান ৬.০–৬.৫ হলে ভালো
🔹 বীজ বপন
-
প্রথমে পলিব্যাগ বা বীজতলায় চারা তৈরি
-
১৫–২০ দিনের চারা রোপণের উপযুক্ত
🔹 রোপণ দূরত্ব
-
সারি থেকে সারি: ৬–৭ ফুট
-
গাছ থেকে গাছ: ৬ ফুট
🔹 সার ব্যবস্থাপনা (প্রতি গাছ)
-
গোবর: ১০–১৫ কেজি
-
ইউরিয়া, টিএসপি, এমওপি সুষমভাবে ভাগ করে প্রয়োগ
-
প্রতি ৩০–৪০ দিন পরপর সার দেওয়া ভালো
🔹 সেচ ও পরিচর্যা
-
নিয়মিত হালকা সেচ
-
আগাছা পরিষ্কার রাখতে হবে
-
অতিরিক্ত পানি জমতে দেওয়া যাবে না
🔹 রোগ ও পোকা দমন
-
পচা ফল/পাতা সরিয়ে ফেলুন
-
প্রয়োজন অনুযায়ী অনুমোদিত কীটনাশক ব্যবহার
🔹 ফল সংগ্রহ
-
রোপণের ৬–৭ মাসের মধ্যে ফল পাওয়া যায়
-
আধা-পাকা অবস্থায় সংগ্রহ করলে বাজারজাত ভালো হয়





