DESCRIPTION
২. উপকারিতা (Benefits)
সেলেরি একটি অত্যন্ত পুষ্টিকর সবজি যা সালাদ, স্যুপ বা তরকারিতে ব্যবহৃত হয়। এর প্রধান গুণাগুণগুলো হলো:
-
ওজন কমাতে সাহায্য করে: এতে ক্যালোরি খুব কম এবং ফাইবার বেশি থাকে।
-
রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ: এতে থাকা ফাইটোকেমিক্যাল উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে।
-
হজম শক্তি বাড়ায়: প্রচুর ফাইবার থাকায় এটি কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।
-
ভিটামিন সমৃদ্ধ: এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন-কে, ভিটামিন-এ এবং ভিটামিন-সি থাকে।
-
অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট: এটি শরীরের প্রদাহ (Inflammation) কমাতে সাহায্য করে।
৩. চাষ পদ্ধতি (Cultivation Method)
সেলেরি চাষ কিছুটা ধৈর্যের কাজ কারণ এর বীজ অঙ্কুরিত হতে সময় নেয়।
বীজ বপন ও চারা তৈরি:
-
সময়: সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বর মাস সেলেরি চাষের উপযুক্ত সময়। তবে এই প্যাকেটটি “ফোর সিজন” হওয়ায় নিয়ন্ত্রিত তাপমাত্রায় সারা বছরই চাষ সম্ভব।
-
বীজ ভেজানো: বীজগুলো বপনের আগে ১২-২৪ ঘণ্টা হালকা গরম পানিতে ভিজিয়ে রাখলে দ্রুত অঙ্কুরিত হয়।
-
চারা তৈরি: সরাসরি জমিতে না লাগিয়ে ছোট টব বা সিডলিং ট্রের কোকোপিট বা ঝুরঝুরে মাটিতে বীজ ছিটিয়ে দিন। বীজ খুব বেশি গভীরে দেবেন না (মাত্র ১/৮ ইঞ্চি গভীরে)।
জমি তৈরি ও রোপণ:
-
মাটি: জৈব সার মিশ্রিত দোআঁশ মাটি সেলেরির জন্য সবচেয়ে ভালো।
-
রোপণ: চারা ৪-৫ ইঞ্চি লম্বা হলে মূল জমিতে বা বড় টবে ১ ফুট দূরত্ব বজায় রেখে লাগিয়ে দিন।
-
আলো: এটি রোদে ভালো হয়, তবে অতিরিক্ত গরম থেকে রক্ষা করার জন্য হালকা ছায়ার ব্যবস্থা রাখা ভালো।
যত্ন ও পরিচর্যা:
-
পানি: সেলেরি প্রচুর পানি পছন্দ করে। মাটি সবসময় ভেজা (স্যাঁতসেঁতে নয়) রাখতে হবে।
-
সার: চারা লাগানোর পর নিয়মিত নাইট্রোজেন সমৃদ্ধ জৈব সার বা খৈল পচা পানি দিলে ফলন ভালো হয়।
-
ব্লাঞ্চিং (ঐচ্ছিক): সেলেরির ডাঁটা সাদা ও নরম করতে চাইলে কাটার ২ সপ্তাহ আগে ডাঁটার নিচের অংশ ঢেকে দিয়ে সূর্যের আলো থেকে দূরে রাখা হয়।
ফসল সংগ্রহ:
বীজ বপনের প্রায় ১০০-১২০ দিন পর থেকে সেলেরি খাওয়ার উপযোগী হয়। আপনি চাইলে বাইরের ডাঁটাগুলো একটা একটা করে কেটে নিতে পারেন অথবা পুরো গাছটি গোড়া থেকে কেটে সংগ্রহ করতে পারেন।
সেলেরি-(Celery),আনুমানিক ৩g/৩০০০ বীজ
Original price was: 320.00৳ .99.00৳ Current price is: 99.00৳ .
DESCRIPTION
২. উপকারিতা (Benefits)
সেলেরি একটি অত্যন্ত পুষ্টিকর সবজি যা সালাদ, স্যুপ বা তরকারিতে ব্যবহৃত হয়। এর প্রধান গুণাগুণগুলো হলো:
-
ওজন কমাতে সাহায্য করে: এতে ক্যালোরি খুব কম এবং ফাইবার বেশি থাকে।
-
রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ: এতে থাকা ফাইটোকেমিক্যাল উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে।
-
হজম শক্তি বাড়ায়: প্রচুর ফাইবার থাকায় এটি কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।
-
ভিটামিন সমৃদ্ধ: এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন-কে, ভিটামিন-এ এবং ভিটামিন-সি থাকে।
-
অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট: এটি শরীরের প্রদাহ (Inflammation) কমাতে সাহায্য করে।
৩. চাষ পদ্ধতি (Cultivation Method)
সেলেরি চাষ কিছুটা ধৈর্যের কাজ কারণ এর বীজ অঙ্কুরিত হতে সময় নেয়।
বীজ বপন ও চারা তৈরি:
-
সময়: সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বর মাস সেলেরি চাষের উপযুক্ত সময়। তবে এই প্যাকেটটি “ফোর সিজন” হওয়ায় নিয়ন্ত্রিত তাপমাত্রায় সারা বছরই চাষ সম্ভব।
-
বীজ ভেজানো: বীজগুলো বপনের আগে ১২-২৪ ঘণ্টা হালকা গরম পানিতে ভিজিয়ে রাখলে দ্রুত অঙ্কুরিত হয়।
-
চারা তৈরি: সরাসরি জমিতে না লাগিয়ে ছোট টব বা সিডলিং ট্রের কোকোপিট বা ঝুরঝুরে মাটিতে বীজ ছিটিয়ে দিন। বীজ খুব বেশি গভীরে দেবেন না (মাত্র ১/৮ ইঞ্চি গভীরে)।
জমি তৈরি ও রোপণ:
-
মাটি: জৈব সার মিশ্রিত দোআঁশ মাটি সেলেরির জন্য সবচেয়ে ভালো।
-
রোপণ: চারা ৪-৫ ইঞ্চি লম্বা হলে মূল জমিতে বা বড় টবে ১ ফুট দূরত্ব বজায় রেখে লাগিয়ে দিন।
-
আলো: এটি রোদে ভালো হয়, তবে অতিরিক্ত গরম থেকে রক্ষা করার জন্য হালকা ছায়ার ব্যবস্থা রাখা ভালো।
যত্ন ও পরিচর্যা:
-
পানি: সেলেরি প্রচুর পানি পছন্দ করে। মাটি সবসময় ভেজা (স্যাঁতসেঁতে নয়) রাখতে হবে।
-
সার: চারা লাগানোর পর নিয়মিত নাইট্রোজেন সমৃদ্ধ জৈব সার বা খৈল পচা পানি দিলে ফলন ভালো হয়।
-
ব্লাঞ্চিং (ঐচ্ছিক): সেলেরির ডাঁটা সাদা ও নরম করতে চাইলে কাটার ২ সপ্তাহ আগে ডাঁটার নিচের অংশ ঢেকে দিয়ে সূর্যের আলো থেকে দূরে রাখা হয়।
ফসল সংগ্রহ:
বীজ বপনের প্রায় ১০০-১২০ দিন পর থেকে সেলেরি খাওয়ার উপযোগী হয়। আপনি চাইলে বাইরের ডাঁটাগুলো একটা একটা করে কেটে নিতে পারেন অথবা পুরো গাছটি গোড়া থেকে কেটে সংগ্রহ করতে পারেন।









